বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু দেশের বাজারে উল্টো চিত্র। টানা দুই দফা বাড়িয়ে বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন প্রতি ভরিতে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯২১ টাকা। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্ববাজারে সোমবার (২৬ মে) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে ০.৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩,৩৩২ ডলার। ফিউচার মার্কেটেও দর কমেছে প্রায় ১ শতাংশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি প্রত্যাহার করায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণে আগ্রহ হারাচ্ছেন বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
কিন্তু বাংলাদেশে এই দরপতনের প্রভাব পড়েনি। বরং বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ২১ মে এক ঘোষণায় ভরিপ্রতি ২,৮২৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করে। ২২ মে থেকে তা কার্যকর হয়।
ঢাকার নিউমার্কেট এলাকার একটি স্বর্ণালংকার দোকানের বিক্রয়কর্মী বলেন, “দাম বাড়ায় আগ্রহ কমেছে। গ্রাহক এসে দেখে চলে যাচ্ছে। বিশ্ববাজারে যখন দাম কমছে, তখন দেশের বাজারে বাড়ানোয় অনেকে প্রশ্ন করছেন।”
বিশ্লেষকদের মতে, দেশে ডলার সংকট, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় চাহিদা বেশি থাকায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা দাম বাড়ানোর পেছনে বাস্তব কারণ দিচ্ছি, কিন্তু সাধারণ মানুষ তা বুঝতে চায় না।”
এদিকে, দেশের বাজারে যদি ডলার পরিস্থিতির উন্নতি না হয় এবং আমদানির সুযোগ সহজ না হয়, তাহলে স্বর্ণের দাম আরও স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।




