বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চাপ সত্ত্বেও পদত্যাগ করতে নারাজ। আসল খবর-কে তিনি সোজাসাপ্টা বললেন,
“আমি কেন পদত্যাগ করব? আমাকে সরে যেতে বলা হলেও, কারণটা তো বলা হয়নি। আমি তো নিজে থেকে আসিনি, আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাহলে সবাই থাকতে পারলে, শুধু আমাকেই যেতে হবে কেন?
জানা গেছে, গতকাল রাতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে তাকে পদ ছাড়ার জন্য মৌখিক বার্তা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দিনভর আলোচনা চলার পর, বিকেলে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।
এদিকে, সাবেক অধিনায়ক ও আইসিসি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বিসিবি সভাপতি হিসেবে আনার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ রয়েছে। আমিনুল নিজেই জানিয়েছেন, তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি এতে সম্মতি জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে নাজমুল হাসান পাপন পদত্যাগ করার পর, ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে বিসিবি পরিচালক ও সভাপতি হন ফারুক আহমেদ।
কিন্তু এখন সেই ক্রীড়া পরিষদই তাকে সরে যেতে বলছে। যদিও ফারুক এ বিষয়ে খুব একটা কিছু বলেননি, তবে কেউ কেউ মনে করছেন—তিনি পদ না ছাড়লে হয়তো তার কাউন্সিলর পদ প্রত্যাহারের চিন্তাও করা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, আগেও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। জালাল ইউনূস ও আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। জালাল সরে গেলেও ববি অনড় ছিলেন। পরে তাকে অপসারণ করা হয়। সেই শূন্যস্থানেই ফারুকের আগমন।
বর্তমানে সরকারের সঙ্গে বিসিবির একাধিক বিষয়ে মতবিরোধ চলছে। এর মধ্যেই সভাপতিকে পদ ছাড়ার চাপ নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামনে বড় সিরিজ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থাকায় এই অনিশ্চয়তা দেশের ক্রিকেটের জন্য কোনোভাবেই শুভ বার্তা নয়।




